ছবি সংগৃহীত
জুলকারনাইন সায়ের : ট্রান্সকমের মালিকানাধীন প্রথম আলো যখন বসুন্ধরা নিয়ে প্রতিবেদন করে, তখন ব্যাপারটা এমন দাঁড়ায় যেন চালুনি সুঁইকে বলছে, তোমার পেছনে একটা ফুটো কেন?
উলফা সংশ্লিষ্টতা, ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর সাথে নিবিড় যোগাযোগ, বিগত সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তির নির্দেশে মনের মাধুরী মিশিয়ে ন্যারেটিভ তৈরির অক্লান্ত প্রচেষ্টা — এসব ভুলে গেলে তো সমস্যা?
না বসুন্ধরা কোনো ধোয়া তুলসী পাতা নয়, তবে ট্রান্সকমের দুটি পত্রিকার কীর্তিকলাপের সামনে তাদের অপকর্ম নস্যিসম। ইদানীং দেখবেন ব্যাংক লুটেরা এস আলম নিয়ে তারা বিস্তর রিপোর্ট করছে, আর সেসব রিপোর্টের টোনটা এমন যেন দেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই নিজ উদ্যোগে ব্যাংকটি দখল করতে গেছে, পলাতক হাসিনা ও তার সকল অপকর্মের হোতা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর কোনো সংশ্লিষ্টতাই যেন এখানে নেই!
প্রতিবেদন পড়লে মনে হয়, ডিজিএফআই ডিজি আকবর মিয়া একরাতে স্বপ্ন দেখেছেন যে কালকে তাকে ইসলামি ব্যাংকের দখল নিতে হবে, আর সকালে উঠেই সৈন্য-সামন্ত পাঠিয়ে বোর্ড রুম দখলটখল করে মিশন কমপ্লিট! এর আগে পিছে আর কোনো কাহিনি নাই।
ওহ বিফোর আই ফরগেট, নসরুল হামিদ বিপুর হাজার অপকর্মের সহযোগী গাওসুল আজম শাওন কোথায়? তাকে নাকি ইদানীং ট্রান্সকমের মালিকানাধীন ডটবার্থ এজেন্সির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে?
জুলকারনাইন সায়েরের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া ।








